টানা আট জয়ের পর টানা চার হার রংপুর রাইডার্সের। মুদ্রার অন্য পিঠও দেখছে রংপুর রাইডার্স। টানা আট জয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছিল দলটির। এরপর ছন্দ হারায়, দুর্বার রাজশাহীর কাছে টানা দুই ম্যাচে হারের পর হেরে যায় চিটাগং কিংসের কাছে। লিগপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের কাছেও বড় ব্যবধানে হেরেছে নুরুল হাসান সোহানের দল।
টানা আট জয়ের পর: হারলেই প্লে-অফের দৌড় থেকে বাদ, এমন সমীকরণ নিয়ে মাঠে নেমেছিল খুলনা টাইগার্স। রংপুরের বিপক্ষে ৪৬ রানে জয় তুলে নিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে এখনও টিকে থাকল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট তাদের। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট শীর্ষে ফরচুন বরিশাল। লিগপর্বের সব ম্যাচ শেষ করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রংপুর। ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে চিটাগং কিংস। ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চারে দুর্বার রাজশাহী।
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে খুলনা। নাঈম শেখের তাণ্ডব চালানো ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেটে ২২০ রানের সংগ্রহ গড়েছে খুলনা।
৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা নাঈম ৮ ছক্কা ও ৭ চারে ৬২ বলে ১১১ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংস খেলেছেন। বিপিএলে নাঈমের প্রথম সেঞ্চুরি এটি। তার ব্যাটেই এলো এবারের আসরের রেকর্ড অষ্টম সেঞ্চুরি। বিপিএলে এর আগে একআসরে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি ছিল ৬টি। এবারের আসরে এখন পর্যন্ত অষ্টম সেঞ্চুরির দেখা মিলেছে। নাঈমের আগে সেঞ্চুরি পেয়েছেন উসমান খান, অ্যালেক্স হেলস, থিসারা পেরেরা, লিটন দাস, তানজিদ তামিম, গ্রাহাম ক্লার্ক ও এনামুল হক বিজয়।
এছাড়া উইলিয়াম বোসিস্তো ২১ বলে ৩৬, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ১৫ বলে ২৯ এবং মিরাজ ১২ বলে ২১ রান করেন।
রংপুরের হয়ে একটি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান, আকিফ জাভেদ ও ইফতিখার আহমেদ।
জবাবে নেমে ৯ উইকেটে ১৭৪ রানে থামে রংপুর। তিস্তা পাড়ের দলটির ব্যাটাররা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তবে রান পেয়েছেন সৌম্য সরকার। চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। ফেরার পর প্রথম দুম্যাচে সুবিধা করতে পারেননি। তৃতীয় ম্যাচে রাঙালেন। পাঁচটি ছক্কা ও ছয়টি চারে ৪৮ বলে ৭৪ রান করেন। এছাড়া শেখ মেহেদী ১৪ বলে ২৭ রান করেন। বাকিদের মধ্যে ইফতিখার আহমেদ ১৫ বলে ১৯, সাইফউদ্দিন ১০ বলে ১৮ এবং রাকিবুল হাসান ৬ বলে ১৪ রান করেন।
খুলনার হয়ে মুশফিক হাসান ৩ উইকেট নেন। দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ নাওয়াজ।