মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ - Binodon Khabor
রবিবার,৩১শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ

হাজার বছরে বাংলা সাহিত্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক নিয়েছে।

by admin
মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ

মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। দশম শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে রচিত হচ্ছে বাংলা সাহিত্য।

তাই বাংলা সাহিত্যের বয়স এক হাজার বছরেরও বেশি। এ সময়েই সৃষ্টি হয়েছে সুবিশাল এক সাহিত্য এবং এ বাংলা সাহিত্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করেছে।

কালে কালে বাংলা সাহিত্য নব নব রূপ ধারণ করে সামনের দিকে এগুতে থাকে।

হাজার বছরে বাংলা সাহিত্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক নিয়েছে। এ বাঁকগুলোও স্পষ্ট। হাজার বছরের এ বাংলা সাহিত্যকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যথা—

ক. প্রাচীন যুগ: ৯৫০ থেকে ১২০০ পর্যন্ত।

খ. মধ্যযুগ: ১৩৫০ থেকে ১৮০০ পর্যন্ত।

গ. আধুনিক যুগ ১৮০০ থেকে বর্তমান পর্যন্ত।

মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ

উপরে উল্লিখিত তিনটি যুগেই বাংলা সাহিত্যের বিকাশ ঘটেছে।

তবে বিষয়বস্তু ও রচনারীতিতে এ তিন যুগের সাহিত্য তিন রকম। প্রাচীন যুগে পাওয়া যায় একটি মাত্র বই যার নাম ‘চর্যাপদ”।

এর ভাষা দুর্বোধ্য এবং বিষয়বস্তু দুরূহ। চর্যাপদ রচিত হয়েছিল ৯৫০ থেকে ১২০০ অব্দের মধ্যে। কিন্তু এরপরেই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে নেমে আসে এক করুণ অন্ধকার।

আর সে আঁধার টিকে ছিল প্রায় দেড়শো বছর। ১২০০ অব্দ থেকে ১৩৫০ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে লেখা কোনো সাহিত্য আমাদের নেই।

গবেষকরা এ সুদীর্ঘ দেড়শো বছরে বাংলা সাহিত্যের ভূমিতে কোনো কবি বা কাব্য খুঁজে পাননি।

১২০০ অব্দ থেকে ১৩৫০ অব্দ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো সাহিত্যকর্মের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে এ সময়টাকে বলা হয় ‘অন্ধকার যুগ’।

চর্যাপদ এর অংশবিশেষ

বিভিন্ন পণ্ডিত অন্ধকার যুগের এ সময়টাকে নিয়ে অনেক ভেবেছেন; অনেক আলোচনা করেছেন। কিন্তু কেউ অন্ধকার সরিয়ে ফেলতে পারেননি।

এ সময়টির দিকে তাকালে তাই আমরা কোনো আলো দেখতে পাই না, কেবল আঁধারে ঢাকা চারদিক।

ইতিহাস থেকে আমরা অন্ধকার যুগ সম্পর্কে ধারণা পেতে পারি। ১২০০ থেকে ১২০৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলায় আসেন মুসলমান শাসকেরা।

অনেকের ধারণা, মুসলমান শাসকরা বাংলায় এতো অত্যাচার-উৎপীড়ন চালিয়েছিলো যে কারো মনে সাহিত্যের কথা জাগেনি।

তাই এ সময় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিশাল মরুভূমিতে পরিণত হয়ে পড়েছিলো। বাংলা ভাষা হয়েছিলো সাহিত্যহীন। তবে এ যুক্তি পুরোপুরি মানা যায় না।

কেননা তারা যদি দেড়শো বছর ধরে অত্যাচার-উৎপীড়ন চালাতো এবং রক্তপাত ঘটাতো তাহলে মানুষ রইল কি করে?

তাছাড়া মুসলমানেরা বাঙালিদের মারার জন্য আসেনি, তারা এসেছিলো রাজত্ব করতে।

সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার হলো পরবর্তীকালে মুসলমান রাজারাই বাংলা সাহিত্যকে উৎসাহিত করেছে। অবশ্য এর একটা কারণও ছিলো।

কারণটা হলো তারা বাংলার মানুষকে বশে আনার জন্য বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন কবি ও সাহিত্যিকদের সাহায্য, উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন।

যারা পরে সাহিত্য সৃষ্টিতে উৎসাহ দিলো তারাই আগে সাহিত্যকে দমিয়ে রেখেছিলো এরকম হতে পারে না।

তদুপরি তারা বাংলা সাহিত্যকে ধ্বংস করে দেবার জন্য আসেনি। তাহলে সাহিত্য হলো না কেন? বিষয়টি বেশ ভাবার মতো।

আগে সাহিত্য লেখা হতো না, মুখে মুখে গাওয়া হতো। তখন ছাপাখানা ছিলো না। পুঁথি লিখিয়ে নেয়া ছিলো অনেক অসুবিধা। তাই কবিরা মুখে মুখে রচনা করতেন তাদের কবিতা।

কখনো তা হতো ছোট আয়তনের, আবার কখনো তা হতো বিরাট আকারের। রচনা করে তা স্মরণে রেখে দিতেন এবং নানা জায়গায় গাইতেন।

কবিতা ও গান যারা ভালবাসতো তারা সেগুলো মুখস্ত করে রাখতো। এভাবে কবিতা বেঁচে থাকতো মানুষের স্মৃতিতে ও কণ্ঠে।

আজকের মতো ছাপাখানার সাহায্য সেকালের কবিরা লাভ করেননি। তাই যে কবিতা একদিন মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে যেতো, সে কবিতা চিরকালের জন্য হারিয়ে যেতো।

অন্ধকার যুগ সম্পর্কে আমরা একটি যৌক্তিক ধারণা পাই—সেটা হলো চর্যাপদকে লেখা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলো।

তবে এ বইটি কিন্তু বাংলা ভাষায় বা বাংলায় পাওয়া যায়নি, এটিকে পাওয়া গেছে নেপালের রাজদরবারে। নেপালের ভাষা বাংলা নয়।

বাংলা ভাষাকে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন হয়েছিলো একে বর্ণমালায় লিখে রাখার। আর সেভাবেই চর্যাপদ লিখে রাখা হয়েছিলো।

সুতরাং অন্ধকার সময়ের রচনার সম্বন্ধে আমরা অনুমান করতে পারি যে, এ সময়ে যা রচিত হয়েছিলো তা কেউ লিখে রাখেনি, তাই এতোদিনে তা মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে গেছে।

কিন্তু এর পরে আমরা বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক ইতিহাস পাই। আমাদের সামনে এসেছে একটির পর একটি মঙ্গলকাব্য; এসেছে পদাবলীর ধারা।

১৩৫০ সালের পরেই আসেন মহৎ কবিরা; আসেন বড়ু চণ্ডীদাস তার শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য নিয়ে এবং আসর মাতিয়ে তোলেন আরো অনেক কবি। তাই অন্ধকার যুগ আমাদের কাছে এক বিস্ময়।

এ বিস্ময় আর অন্ধকার থেকে উদ্ধার পাবার জন্য কেউ কেউ অন্য রকম কথা বলেন। তারা বলেন, চর্যাপদকে যদি আমরা বাংলা না বলি, তাহলে অন্ধকার যুগ বলে কিছু থাকে না। বাংলা সাহিত্য শুরু হয় চতুর্দশ শতক থেকে।

কিন্তু চর্যাপদ যে বাংলা তাতে কোনো সন্দেহ নেই এবং চর্যাপদে বাংলা ভাষার জন্মের পরিচয় পাওয়া যায়। মধ্যযুগের রচনায় পাওয়া যায় বাংলা ভাষার বিকাশের পরিচয়।

মাঝখানে থেকে যায় একটি অন্ধকারের পর্দা, জমাট অন্ধকার, যার আবির্ভাবের কোনো সঠিক কারণ কেউ দেখাতে পারেননি।

বাংলা সাহিত্যের শুরুতে ছিল একটি ‘অন্ধকার যুগ’। তখন দেড়শো বছর কেটেছে অন্ধকারে। সে সময়ে আমাদের হাতে কোনো লেখা আসেনি। আবার মধ্যযুগ যখন শেষ হয়, তখন বাংলা

সাহিত্যে নামে সামান্য অন্ধকার, যাকে আমরা দ্বিতীয় অন্ধকার যুগ বলে আখ্যায়িত করবো। অবশ্য এ সময়ে কিছু লেখা হয়েছে এবং তার প্রায় সবটাই আমাদের হাতে এসেছে।

কিন্তু তবু এ সময়ে আমাদের সাহিত্যের আঙ্গিনায় যথেষ্ট আলোর অভাব ছিলো।

মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে মূল্যবান অনেক কাব্য সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যযুগ শেষ হয়। দেশে দেখা দেয় নানা বিপর্যয়। সুজলা-সুফলা বাংলায় দেখা দেয় হাহাকার।

রাজনীতির ক্ষেত্রে দেখা দেয় পরিবর্তন। ১৭৫৭ সালে বাংলা হারায় স্বাধীনতা। বিদেশী শাসক ইংরেজরা কেড়ে নেয় আমাদের রাজ্য। বণিক হয় শাসক।

বদলে যায় সবকিছু। সমাজের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে ওঠে।

সমাজ দ্রুত বদলে যায়। সৃষ্টি হয় নতুন ধনিকগোষ্ঠী। এর সাথে সাথে সাহিত্যেরও পরিবর্তন ঘটে।

সাহিত্য সমাজের প্রতিচ্ছবি।

আগে সমাজের বড় বড় মানুষের উৎসাহে উৎকৃষ্ট সাহিত্য সৃষ্টি হতো। কিন্তু ১৭৬০-এর পরে সাহিত্য সে মর্যাদা হারিয়ে ফেলে।

নতুন ধনিক শ্রেণীরা উন্নত সাহিত্যের স্বাদ গ্রহণ করতে পারেনি। তাদের জন্য দরকার হয় হাল্কা, নিম্নরুচির সাহিত্য।

এ সাহিত্য সরবরাহ করেন একশ্রেণীর কবি।

তাদের বলা হয় ‘কবিয়াল’। তাদের মধ্যে যারা ছিলেন মুসলমান, তাদের ‘শায়ের’ বলা হতো। তারা কবি নন, কবিয়াল।

মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ

১৭৬০ থেকে ১৮৩০-এ সত্তর বছর সময় আমাদের সাহিত্যের পতন ঘটেছিলো। ১৭৬০ সালে পরলোকগমন করেন মধ্যযুগের শেষ বড় কবি ভারতচন্দ্র রায়।

তিনি উৎকৃষ্ট সাহিত্য রচনা করেছিলেন। কিন্তু তার রচনায়ও রয়েছে পতনের পরিচয়। আর এটিকেই পূর্ণ করেন পরবর্তী কবিয়ালরা।

এ সময়ের কবিরা তাদের সম্মান রাখতে পারেননি।

কবিরা হন আত্মসম্মানী, অর্থের কাছে তারা বিকিয়ে যান না। কিন্তু এ সময়ের কবিরা অনেকটা বিকিয়ে গিয়েছিলেন, নিজেদের রুচিকে করেছিলেন খাটো।

তারা কবিতা লিখতেন না, রচনা করতেন মুখে মুখে, মঞ্চে দাঁড়িয়ে। কবিয়ালরা করতেন কবিতাযুদ্ধ। মঞ্চে দু’দল কবির চলতো পাল্টাপাল্টি কবিতার যুদ্ধ।

তাদের কবিতায় কোনো উৎকর্ষতা ছিলো না।

কেননা তাদের লক্ষ্য থাকতো বিপক্ষ দলকে হারানো। অষ্টাদশ শতকের শেষভাগ ছিল ওই কবিগণের স্বর্ণযুগ।

তবে আজও কবিগান মরে যায়নি, গ্রামাঞ্চলে তা বেঁচে আছে।

কয়েকজন বিখ্যাত কবিয়ালের নাম বলা যায় রাম রাম বসু, রামু, নৃসিংহ, অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি, হারু ঠাকুর, নিধু বাবু প্রমুখ।

রাম রাম বসু আর অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি সমসাময়িক ছিলেন, তারা একই মঞ্চে প্রতিযোগিতায় নামতেন। একটি নমুনা দেয়া যেতে পারে।

বল হে অ্যান্টনি, আমি একটি কথা জানতে চাই।

এসে এ দেশে এ বেশে তোমার গায়ে কেনো কুর্তি নাই

অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি বলছেন –

এই বাংলার বাঙ্গালির বেশে আনন্দে আছি।

হায় ঠাকরে সিংহের বাপের জামাই কুর্তি টুপি ছেড়েছি।

টপ্পার রাজা ছিলেন রামনিধি গুপ্ত (নিধিবাবু)। তার টপ্পায় শ্রোতারা মুগ্ধ হতো। তার একটি অমর গান আছে। গানটির কয়েকটি পংক্তি হচ্ছে –

নানান দেশের নানান ভাষা,

বিনে স্বদেশী ভাষা,

পুরে কি আশা?

কতো নদী সরোবর কিবা ফল চাতকীর

ধারা জল বিনে কভু

মিটে কি তৃষা?

এ সময়ে মুসলমান শায়েররা গঞ্জের ব্যবসায়ীদের মনোরঞ্জন করতেন, শোনাতেন নানান রকমের ইসলামী কাহিনী। তারা যে গান বাঁধতেন তাকে আজকাল বলা হয় পুঁথিসাহিত্য। এ শ্রেণীর কাব্যকে বিশেষ সম্মানের চোখে দেখা হয় না।

কারণ এগুলো উন্নতমানের সাহিত্য নয়। এগুলোতে রয়েছে মানুষকে সস্তা আনন্দ দেয়ার চেষ্টামাত্র। মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ

ঘোড়ায় চড়িয়া মর্দ হাঁটিয়া চলিল।

কিছুদূর যাইয়া মর্দ রওনা হইল।

মর্দ ঘোড়ায় পিঠে চড়ে হেঁটে যায়, আর কিছুদূর যাওয়ার পর রওনা হয়। অদ্ভুত জগতের অধিবাসী কবি আর তার কাব্যের মর্দ।

এসব কবিদের অনেক কাহিনীতে দেখা যায় হিন্দু দেবদেবীর সাথে মুসলমান পীর-ফকিরদের সংঘর্ষের চিত্র।

সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর আজব বিশ্ব সৃষ্টি করেছিলেন এ কবিবৃন্দ তাদের কল্পনায় ছিলো শিশুসুলভতা, তা ডানা মেলতো সকল অসম্ভবের মধ্যে।

সব গল্পে কথায় কথায় আসে দৈত্য-দানব পরীরা, নায়ক বা নায়িকা চল্লিশ মণ পানি খেয়ে ফেলে একবারে।

এ শ্রেণীর সাহিত্য রচনা করে যারা খ্যাতিমান হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা, মোহাম্মদ দানেশ উল্লেখযোগ্য।

ফকির গরীবুল্লাহর উল্লেখযোগ্য কাব্য হচ্ছে ইউসুফ-জুলেখা, জঙ্গনামা, সোনাভান ইত্যাদি।

সৈয়দ হামজার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে মধুমালতী, হাতেম তাই, জৈগুনের পুঁথি ইত্যাদি।

কবিয়াল ও শায়েররা মধ্যযুগের শেষ প্রান্তে উদ্ভূত হয়েছিলেন।

তারা পরবর্তীকালের জন্য উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি রেখে যেতে পারেননি। এর জন্য তারা দোষী নন।

দোষ যদি কিছু থাকে, তবে তা দেশের ও কালের।

দেশ গিয়েছিলো নষ্ট হয়ে। কাল গিয়েছিলো পতিত হয়ে। নষ্ট কালে অন্ধকারাচ্ছন্ন দেশে তারা প্রদীপ জ্বালাতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু সে প্রদীপ উজ্জ্বলভাবে জ্বলেনি। তাই এ সময়ে আঁধার ছড়িয়ে পড়েছিলো সাহিত্যের আঙ্গিনায়। তবু তারা কিছুটা আলো জ্বেলেছিলেন, তাই তারা স্মরণীয়।

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলা সাহিত্যে পরপর দুবার অন্ধকার নেমে আসে।

প্রথম অন্ধকার নামে মধ্যযুগের প্রারম্নে অর্থাৎ ১২০০ অব্দ থেকে ১৩৫০ পর্যন্ত সময়ে। এ সময়ে বাংলা সাহিত্য পুরোপুরি অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল।

কোনোরূপ আলোর ছোঁয়া এ সময়ে পৌঁছেনি। কিন্তু আবারও একটি অন্ধকার যুগ নামে বাংলা সাহিত্যে। ১৭৬০ থেকে ১৮৩০ পর্যন্ত। এ দীর্ঘ সময় বাংলা সাহিত্যে কোনো উল্লেখযোগ্য ফসল ফলেনি।

এ নিষ্ফলা সাহিত্য অঙ্গন সত্যিই একটি ভাষা ও সাহিত্যের জন্য অভিশাপ।

ঐ সুদীর্ঘ সময়ে ফসল ফললে হয়তো বাংলা সাহিত্য আরো সমৃদ্ধ হতো।

তবে বর্তমানে বাংলা সাহিত্যে উজ্জ্বল আলোর বন্যা প্রবাহি।

মধ্যযুগ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ

You may also like

Leave a Comment

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ দেলোয়ার হোসেন

যোগাযোগঃ অফিসঃ ৪৩/বি, নবাবগঞ্জ বাজার, লালবাগ, ঢাকা-১২১১

মোবাইলঃ ০১৭১১৬৬৪৬৬৫

Email: info@janaojana.com

2025 All Rights Reserved by Binodonkhabor.com

অনুসরণ করুন